School Logo
আন্ধারমানিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়
Andharmanik Secondary School
ডাকঘর: আন্ধারমানিক, উপজেলা: কচুয়া, জেলা: বাগেরহাট
Board Logo
জরুরি নোটিশ
আমাদের পরিচয়

বিদ্যালয়ের ইতিহাস

আন্ধারমানিক মাধ্যমিক বিদ্যালয় — Andharmanik Secondary School

ঐতিহ্য, অগ্রযাত্রা ও অর্জন

আমাদের পথচলা
আন্ধারমানিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়: প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান

আন্ধারমানিক, কচুয়া, বাগেরহাট: বঙ্গোপসাগরের কূল ঘেঁষা বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার আন্ধারমানিক গ্রামে প্রায় আট দশক ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে আন্ধারমানিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠটি এই অঞ্চলের মানুষের শিক্ষাদীক্ষায় এক অনবদ্য ভূমিকা পালন করে চলেছে।

প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট ও ইতিহাস

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ডামাডোলের শেষ লগ্নে, ১৯৪৫ সালের ১লা জানুয়ারি, আন্ধারমানিক গ্রামের শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গের উদ্যোগে এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। তৎকালীন ব্রিটিশ শাসনামলের শেষ দিকে গ্রামীণ জনপদে শিক্ষার প্রসারের যে ঢেউ উঠেছিল, তারই অংশ হিসেবে স্থানীয়দের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি পথচলা শুরু করে। প্রতিষ্ঠাকালে বিদ্যালয়টির ভৌত অবকাঠামো অত্যন্ত সাধারণ ছিল বলে ধারণা করা হয়। স্থানীয়দের দান করা জমিতে বাঁশ ও গোলপাতার ছাউনি দিয়ে এর যাত্রা শুরু হতে পারে, যা ছিল সেই সময়ের গ্রামীণ বিদ্যালয়গুলোর সাধারণ চিত্র।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টি নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজকের অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে। সময়ের সাথে সাথে এটি নিম্ন মাধ্যমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় পাঠদান করা হয়। এটি একটি সহ-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে ছাত্র-ছাত্রী উভয়েই অধ্যয়নের সুযোগ পায়।

অবস্থান ও পরিচিতি

আন্ধারমানিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার আন্ধারমানিক গ্রামে অবস্থিত। এর EIIN (Educational Institute Identification Number) নম্বর হলো ১১৪৯৩০। বিদ্যালয়টি যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধিভুক্ত। বর্তমানে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অমল কৃষ্ণ মজুমদার।

প্রতিষ্ঠাতা ও অবদান

প্রতিষ্ঠাতাঃ ---- মিস্ত্রী। তবে এ কথা অনস্বীকার্য যে, যে সকল দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব সে সময় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং তা বাস্তবায়নে এগিয়ে এসেছিলেন, তাদের অবদান এই অঞ্চলের মানুষের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। সময়ের পরিক্রমায় বিদ্যালয়টি বহু জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিত্ব তৈরি করেছে যারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন।